Friday, 01 May, 2026

বান্দরবানে শিমের বাম্পার ফলন, চাষিদের মনে আশার সঞ্চার


চলতি মৌসুমে শিমের ব্যাপক ফলন হয়েছে মেহেরপুরে

দেশের পার্বত্য জেলা বান্দরবান। এবার এই বান্দরবানে শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই শিম চাষিদের মনে আনন্দের জোয়ার বইছে। বান্দরবানে শিমের বাম্পার ফলন হওয়ায় আগের বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন চাষিরা। এমনটাই আশা করছেন এ জেলার শিম চাষিরা।

শিম শীতকালীন সবজির মধ্যে অন্যতম ও বিখ্যাত একটি সবজি। এই সবজি পছন্দ করেন না এমন ব্যক্তি সম্ভবত খুজে পাওয়া যাবে না। তাই বান্দরবানে শিমের বাম্পার ফলন এ অঞ্চলের মানুষের মুখে হাসির সঞ্চার করেছেন।

সবুজের মাঝে সাদা ও বেগুনি ফুলের নয়নাভিরাম দৃ্শ্য

আরো পড়ুন
বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ফসল রক্ষায় কৃষকের করণীয়: একটি জরুরি নির্দেশিকা
বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ফসল রক্ষায় কৃষকের করণীয়: একটি জরুরি নির্দেশিকা

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর মানুষের হাত নেই, কিন্তু সঠিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব। বিশেষ করে Read more

ভাইরাস ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় মিরসরাইয়ে তরমুজ চাষে ব্যাপক লোকসান, ক্ষতির মুখে কৃষক
ভাইরাস ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় মিরসরাইয়ে তরমুজ চাষে ব্যাপক লোকসান, ক্ষতির মুখে কৃষক

চলতি মৌসুমে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় তরমুজ চাষে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় ও আগত কৃষকেরা। ভাইরাসের আক্রমণ, প্রতিকূল Read more

বান্দরবান সদর উপজেলার গোয়ালিয়া খোলা, কুহালং ও ডলুপাড়া এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।

সবুজের মাঝে সাদা ও বেগুনি রঙের শিম ফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য প্রায় সবখানে।

শিম খেতের নয়নাভিরাম এ দৃশ্য বিমোহিত করবে যেকোনো পথচারীকে।

.সবজি হিসেবে শিম উচ্চ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।

বাজারে এই শিমের চাহিদাও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে।

জানা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম খাবার উপযোগী শিমে ৮৫ গ্রাম পানি, ৪৮ গ্রাম কিলোক্যালরি থাকে।

তাছাড়াও থাকে ৩ গ্রাম আমিষ, ৬.৭ গ্রাম শর্করা, ০.৭ গ্রাম চর্বি, ০.৪ গ্রাম খনিজ লবণ, ২১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১.৭ মিলিগ্রাম লৌহ, ১৮৭ মাইক্রো মিলিগ্রাম ক্যারোটিন, ভিটামিন বি-১, বি-২, ভিটামিন সি এবং আঁশ জাতীয় উপাদান।

সদর উপজেলার গোয়ালিয়া খোলা এলাকার শিম চাষি মো. মুছা মিয়া।

তিনি জানান, উপজেলার গোয়ালিয়া খোলা ও বটতলী পাড়া এলাকায় শিমের চাষ করা হয়।

প্রায় ১ একর জমিতে এবার শিমের চাষ করা হয়েছে।

অন্যান্য যে কোন বছরের তুলনায় এবার ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে।

১০ দিন অন্তর অন্তর ফসল সংগ্রহ করা হয়।

প্রতি ১০ শতক জমি থেকে ১২ থেকে ১৩ শত কেজি শিম বিক্রি করা যাচ্ছে বর্তমানে।

বাজারে রয়েছে প্রচুর চাহিদা

বাজারে বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে শিমের চাহিদা রয়েছে।

পাইকাররা ২৫ টাকা কেজি দরে শিম নিয়ে যাচ্ছেন।

প্রতি কেজিতে গত বছরের তুলনায় ১০ থেকে ১২ টাকা বেশি।

এতে এই মৌসুমে কয়েক লাখ টাকা লাভবান হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে শিম থেকে।

বান্দরবান সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক।

তিনি জানান উপজেলায় শিমের আবাদ করা হয়েছে ১০৮ হেক্টর জমিতে।

তিনি আশা করেন হেক্টর প্রতি ১৫ মেট্রিক টন শিম উৎপাদন হবে এই মৌসুমে।

এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হতে শিম চাষিদের প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

0 comments on “বান্দরবানে শিমের বাম্পার ফলন, চাষিদের মনে আশার সঞ্চার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ