Wednesday, 02 September, 2026

ডিজিটাল চাঁদাবাজিতে বাড়ছে ভোক্তা পর্যায়ে সবজি ও পণ্যের দাম


সবজির উপর মাত্রাতিরিক্ত মুনাফা উঠে এসেছে গবেষণায়

মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক থেকে চাঁদাবাজির কারনে বাড়ছে ভোক্তা পর্যায়ে সবজি ও পণ্যের দাম। যে শসা দিনাজপুরে ৪ টাকা কেজি সেই শসা ঢাকাতে ৪০ টাকা কেজি।

একসময় পথে পথে ট্রাক থামিয়ে চাঁদা আদায় করা হতো। মাঝে টোকেন বা কার্ড দিয়ে পুরো মাসের চাঁদা তুলে নেওয়া হতো। সেই ‘টোকেন প্রথা’ বদলেছে।দেশ ডিজিটাল হয়েছে সাথে চাঁদা আদায়ের পদ্ধতি।

সড়ক–মহাসড়কে এখন চাঁদাবাজি হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মাসিক চুক্তির টাকা পরিশোধ করছেন ট্রাকমালিকেরা। পুলিশ ট্রাক আটকানোর পর মুঠোফোন নম্বরে ফোন দিলেই  ট্রাক ছেড়ে দেওয়া হয়। কার্ড দিয়ে চাঁদাবাজির বিষয়টি গণমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর কার্ডের বদলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মাসিক চুক্তির টাকা নেওয়া হচ্ছে।

আরো পড়ুন
অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সফল মৎস্য খাত, এবার নজর বিশ্ববাজারে রপ্তানি বাড়ানোয়: জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনীতে মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ বর্তমানে মাছের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে সম্পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, Read more

দেশের অব্যবহৃত জলাশয় সংস্কার করে তরুণদের মধ্যে বন্টন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক ও কর্মসংস্থানমুখী করতে সরকারি জলমহাল, অব্যবহৃত পুকুর, হাওর-বাঁওড় ও জলাশয় সংস্কার করে স্থানীয় বেকার Read more

গত রোববার ১০ টনের একটি সবজির ট্রাকে দেখা যায় চাঁদা বাজির এই দৃশ্য। বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান হাটের সবজির মোকাম থেকে ১৩ টন শসা, মুলা, বরবটি, পটোল ও করলা নিয়ে বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় ট্রাকটি। ২২০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ট্রাকটি পুরান ঢাকার শ্যামবাজারে এসে থামে গত রোববার দিবাগত রাত আড়াইটায়।

সাভারের আগপর্যন্ত দৃশ্যত কোনো চাঁদাবাজি দেখা যায়নি। সাভার থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত একাধিক স্থানে রসিদ দিয়ে ট্রাক থেকে চাঁদা তুলতে দেখা গেছে।

এর আগে রাজশাহী থেকে সবজির ট্রাকে দেখা যায় চাঁদাবাজির কোন চিহ্ন নেই পরে খোজ নিলে যানা যা একই ডিজিটাল চাঁদার দৃশ্য।

0 comments on “ডিজিটাল চাঁদাবাজিতে বাড়ছে ভোক্তা পর্যায়ে সবজি ও পণ্যের দাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ