Friday, 09 October, 2026

মাগুরায় লিচুর স্বাভাবিক উৎপাদনে শঙ্কা


মাগুরায় চলতি মৌসুমে তীব্র গরমে লিচুর স্বাভাবিক উৎপাদনের বিষয়ে শঙ্কা করছেন লিচু চাষিরা। এদিকে কোনো ব্যাপারী বাগান লিজ নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না বলে কৃষকেরা জানিয়েছে।

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, এ বছর জেলায় ৫৮৮ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ করা হচ্ছে। কিন্তু গত ১৫ দিনের অব্যাহত তাপদাহ স্বাভাবিক উৎপাদনের বিষয়ে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। অধিকাংশ সময় ৩৮-৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। এতে লিচুর স্বাভাবিক রঙ হারানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক বৃদ্ধিও ব্যহত হচ্ছে।

মাগুরা সদরের ইছাখাদা গ্রামের লিচু চাষি রোমিজ শেখ বলেন, এ বছর ৮০ শতাংশ জমিতে লিচু চাষ করেছি। বৃষ্টির অভাবে লিচু বেড়ে উঠতে পারছে না এবং এর অস্বাভাবিক রঙ দেখে আমি হতাশ। অন্য বছর লিচু থেকে কয়েক লাখ টাকা আয় হলেও এবার বড় একটা ক্ষতির সম্মুখীন হবো বলে মনে হচ্ছে।

আরো পড়ুন
চাপাইনবাবগঞ্জে অফ-সিজন আমের বিপ্লব: ফুরিয়ে গেছে কাটিমন, আসছে নতুন জাত!
চাপাইনবাবগঞ্জে অফ-সিজন আমের বিপ্লব: ফুরিয়ে গেছে কাটিমন, আসছে নতুন জাত!

চাপাইনবাবগঞ্জের অফ-সিজন আমের বাজারে লেগেছে পরিবর্তনের হাওয়া। গত কয়েক বছর ধরে কেজিতে ৩০০-৪০০ টাকায় বিক্রি হওয়া কাটিমন আম এখন ১৫০-১৮০ Read more

প্রাকৃতিক মহৌষধ: কালোজিরা, রসুন ও মধু একসাথে খেলে কী হয়?
কালোজিরা, রসুন ও মধু একসাথে খেলে কী হয়? জানুন জাদুকরী স্বাস্থ্য উপকারিতা

আমাদের দৈনন্দিন রান্নাঘরে এমন কিছু ভেষজ উপাদান রয়েছে, যা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর মধ্যে অন্যতম তিনটি Read more

শিবরামপুর গ্রামের লিচু চাষি সরোয়ার হোসেন বলেন, অন্যবার এপ্রিল মাসের মধ্যেই আমাদের বাগানের লিচু কিনে ফেলে ব্যাপারিরা। এবার এখন পর্যন্ত কেউ আগ্রহ দেখায়নি। আমি আমার ২ বিঘা জমিতে লিচু চাষ করেছি প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয়ে। এর সঙ্গে চলছে করোনা। জানিনা এরপর থেকে আর লিচু চাষ করবো কিনা। আশাকরি সরকার আমাদের পাশে দাঁড়াবে।

মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আবু তালহা জানান, অব্যাহত খরার কারণে লিচু নিয়ে কৃষকেরা শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। তবে দুই একদিনের মধ্যে বৃষ্টি হলে পরস্থিতির উন্নতি হবে। আর সরকারি প্রণোদনা আমাদের হাতে নয়। তবে কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা লিখিত সুপারিশ করবো।

0 comments on “মাগুরায় লিচুর স্বাভাবিক উৎপাদনে শঙ্কা”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ