Monday, 29 June, 2026

টমেটোর পাতা কোঁকড়ানো রোগ ও প্রতিকার


টমেটো একটি জনপ্রিয় সবজি। সালাদ, ডাল এবং তরকারি হিসাবে রয়েছে টমেটোর জনপ্রিয়তা। আগে টমেটো সাধারণত কৃষকের মাঠে রবি মৌসুমে অর্থাৎ শীতকালে চাষ করা হতো। তবে এখন তা টবে বা বাড়ির আঙ্গিনায় সারা বছরই চাষ হয়ে থাকে।

টমেটোর পাতা কোকড়ানো একটি অন্যতম রোগ। টমেটোর হলুদ পাতা কোকড়ানো রোগটি ভাইরাসজনিত রোগ এবং সাদা মাছির আক্রমণে এর বিস্তার হয়ে থাকে।

টমেটো পাতা কোঁকড়ানো রোগের লক্ষণ

আরো পড়ুন
সস্তা সিন্থেটিক ফাইবারের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চাপে বাংলাদেশের পাটপণ্য: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
সস্তা সিন্থেটিক ফাইবারের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চাপে বাংলাদেশের পাটপণ্য

আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে স্বল্পমূল্যের সিন্থেটিক ফাইবারের বিশ্বব্যাপী সহজলভ্যতা এবং ক্রমবর্ধমান ব্যবহার বাংলাদেশের পাটপণ্যের জন্য একটি বড় সংকট সৃষ্টি করেছে। এটি Read more

ক্ষতিকর জাল উৎপাদন বন্ধের কঠোর নির্দেশ মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর: জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও বিশেষ কার্ডের ঘোষণা
ক্ষতিকর জাল উৎপাদন বন্ধের কঠোর নির্দেশ মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী সব ধরনের ক্ষতিকর জাল উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও Read more

১. গাছ খর্বাকৃতির হয়ে যায় এবং পাতা পীত বর্ণ ধারণ করে। পাতায় ঢেউয়ের মত খাঁজ সৃষ্টি হয় ও পাতা ভীষণভাবে কুঁকরিয়ে যায়। পাতা কিনারা থেকে মধ্য শিরার দিকে গুটিয়ে যায়।

২. আক্রান্ত গাছের ডগার পাতা ছোট ছোট গুচ্ছ আকার ধারণ করে।

৩. পাতা খসখসে হয়ে শিরাগুলো স্বচ্ছ হলুদ হয়ে কুঁচকিয়ে যায়।

৪. বয়স্ক কোকড়ানো পাতা পুরু ও মচমচে হয়ে যায়।

৫. আক্রমণের মাত্রা বাড়ার সাথে সাথে পাতা মরে যায়।

৬. গাছে অতিরিক্ত শাখা হয় এবং স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ায় ফুল ও ফলন একেবারেই কমে যায়। আগাম আক্রমন হলে ফলন একদমই হয় না।

টমেটোর পাতা কোঁকড়ানো রোগ (ছবি সংগৃহিত)

হলুদ পাতা কোঁকড়ানো রোগে করণীয়

১. আগাছা দমনে সতর্কতা। টমেটোর জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে।

২. বীজ নির্বাচনে সতর্কতা। সুস্থ চারা রোপন করতে হবে এবং সুস্থ গাছ থেকে পরবর্তী মৌসুমের জন্য বীজ সংগ্রহ করতে হবে।

৩. সাদা মাছির হাত থেকে রক্ষা পেতে  ক্ষুদ্র ছিদ্রযুক্ত (প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে ৪০-৫০টি ছিদ্র) নাইলনের নেট দিয়ে বীজতলা ঢেকে চারা উৎপাদন করতে হবে।

৪. যেহেতু সাদা মাছির আক্রমণে এই রোগের ভাইরাস বিস্তার লাভ করে তাই সাদা মাছি দমনের জন্য চারা লাগানোর এক সপ্তাহ পর থেকে ফুল আসা পর্যন্ত ১৫ দিন পরপর কমপক্ষে ২ বার স্পর্শ জাতীয় বিষ স্প্রে করতে হবে।

বিষ স্প্রে করার নিয়ম  যেমন- ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের অ্যাডমায়ার বা টিডো ০.৫ মিলি/লিটার পানিতে বা ইমিটাফ ১ মিলি/৫ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

টবে ক্যাপসিকাম চাষ করলে পেতে পারেন বিষমুক্ত ফসল – টবে ক্যাপসিকাম চাষের বিস্তারিত

0 comments on “টমেটোর পাতা কোঁকড়ানো রোগ ও প্রতিকার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ