Tuesday, 18 August, 2026

প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় বোরো আবাদে বিঘ্ন


ইরি-বোরোর আবাদ মৌসুমে ব্যস্ত সময় পার করছেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষকেরা। তবে প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশার কারণে ধানের চারা রোপণে বেশ অসুবিধায় পড়ছেন তারা।

এদিকে দাম ভালো পাওয়ায় ধান চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের মাঝে। ফলে অধিকাংশ আবাদি জমিতে ধান চাষ করতে চান তারা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ২৩৫ হেক্টর আবাদি জমি। ইতোমধ্যে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ করা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৭-১০ দিনের মধ্যে বাকি জমিতে কৃষকরা চারা রোপণ করতে পারবেন বলে তাদের ধারণা।

আরো পড়ুন
অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সফল মৎস্য খাত, এবার নজর বিশ্ববাজারে রপ্তানি বাড়ানোয়: জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনীতে মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ বর্তমানে মাছের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে সম্পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, Read more

দেশের অব্যবহৃত জলাশয় সংস্কার করে তরুণদের মধ্যে বন্টন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক ও কর্মসংস্থানমুখী করতে সরকারি জলমহাল, অব্যবহৃত পুকুর, হাওর-বাঁওড় ও জলাশয় সংস্কার করে স্থানীয় বেকার Read more

উল্লাপাড়া উপজেলার বড় পাঙ্গাসী গ্রামের কৃষক আব্দুল গফুর জানান, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে তিনি তার ৭ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণ করবেন। জমি প্রস্তুত করে তাঁর অর্ধেক জমিতে চারা রোপণ করতে পেরেছেন বলে জানান তিনি। হালকা বাতাস ও তীব্র শীত থাকায় মানুষ ঠিকমতো জমিতে কাজ করতে পারছেন না।

উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন বলেন, ইরি-বোরো মৌসুমে প্রতিবছর এ সময়ে এমন আবহাওয়াই বিরাজ করে। এ ধরনের আবহাওয়ায় জমিতে চারা রোপণ করলে তেমন কোন অসুবিধা হবে না।

তিনি বলেন, বর্তমানে কৃষক ধানের দাম ভালো পাওয়ায় দান চাষে তাদের আগ্রহ বেড়েছে। চলতি মৌমুমে কৃষি বিভাগের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি পরিমান জমিতে ধানের আবাদ হবে বলে তাদের ধারণা।

0 comments on “প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় বোরো আবাদে বিঘ্ন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ