Wednesday, 01 July, 2026

গরমে অতিষ্ঠ চিড়িয়াখানার প্রাণীরা


তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে বাঘ, সিংহ, ভাল্লুক, হরিণ, পাখিসহ অন্যান্য প্রাণিরা। প্রচণ্ড দাবদাহে অতিষ্ঠ হওয়া প্রাণীদের খাদ্য গ্রহণেও অনীহা দেখা দিয়েছে।

তাপমাত্রা বাড়ায় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় প্রাণীদের এমন চিত্র দেখা গেছে।

চৈত্রের তাপদাহে ম্যাকাউ, ইমু, ময়ূর, সাদা বক, চন্দনা, টিয়া, মদনটেক অস্থির হয়ে পড়েছে। প্রায় সব প্রাণির খাবার গ্রহণে অনীহা দেখা দিয়েছে।

আরো পড়ুন
মৎস্য চাষে নতুন বিপ্লব: বাকৃবি গবেষকদের উদ্ভাবনে ফিশমিলের বিকল্প দেশীয় ‘অণুশৈবাল’

বাংলাদেশের মৎস্য চাষের অন্যতম প্রধান ব্যয়বহুল উপাদান হলো মাছের খাবার বা অ্যাকোয়াফিড। বিশেষ করে ফিডে ব্যবহৃত আমিষের মূল উৎস ‘ফিশমিল’ Read more

বাকৃবি গবেষকদের ১৫ বছরের সাফল্য: নতুন রঙিন জাতের মুরগি উদ্ভাবন, মিলবে অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত নিরাপদ মাংস
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকদের ১৫ বছরের গবেষণায় নতুন রঙিন জাতের মুরগি উদ্ভাবন। অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত নিরাপদ মাংস ও খামারিদের জন্য উচ্চ মুনাফার সুযোগ।

দীর্ঘ ১৫ বছরের নিরলস গবেষণার পর বাণিজ্যিকভাবে লালন-পালন উপযোগী একটি নতুন রঙিন গোশত উৎপাদনকারী মুরগির জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি Read more

চিড়িয়াখানার হনুমান, চিত্রা হরিণ, বানর খাদ্য হিসাবে শাকসবজি, ফলমূল, ঘাস, লতাপাতা খেয়ে বেঁচে থাকে। এছাড়া কিছু সরিসৃপ জাতীয় প্রাণির গরমে সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে অজগর সাপ অতিরিক্ত গরমে অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে।

কারণ গরমকালে এরা শরীরের খোলস ছেড়ে দেয়। এরা সাধারণত ঠাণ্ডা গর্তে থাকতে ভালোবাসে। চিড়িয়াখানায় এদের খড় বা অন্যান্য উপাদান দিয়ে সেই ব্যবস্থা করা হয়।

চিড়িয়াখানার কর্মচারীরা জানান, অতিরিক্ত গরমে মাংসাশী ও নানা প্রজাতির পাখির বেশি সমস্যা হয়। এজন্য সবসময় দেখভাল করা হচ্ছে। নিয়মিতভাবে চিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে ভেটেরিনারি চিকিৎসকের মাধ্যমে। পানির সঙ্গে খাবার স্যালাইনও দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া প্রতিদিন রুটিন ওয়ার্কের সময় পাখি ও মাংসাশী প্রাণিদের খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত গরমে পশুপাখিদের যত্নের প্রতি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সজাগ রয়েছে বলেও জানান তারা।

ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের মতে, চৈত্র ও বৈশাখ মাসে মাংসাশী প্রাণি ও পাখিদের বেশি সমস্যা হয়। এসময় এসব প্রাণি ও পাখিদের বাড়তি যত্ন নিতে হয়।

0 comments on “গরমে অতিষ্ঠ চিড়িয়াখানার প্রাণীরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ