Thursday, 14 May, 2026

শীতকালীন সবজিতে জমে উঠেছে ঠাকুরগাঁও এর কাঁচা বাজার


শীতকালীন সবজিতে জমে উঠেছে ঠাকুরগাঁওয়ের বাজার। জেলার সবচেয়ে বড় বাজার গোবিন্দ নগর বাজার। প্রতিদিন ভোরে বিক্রির জন্য জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে সবজি বাজারে আসে। জেলার বিভিন্ন স্থানের কৃষক ও ব্যবসায়ীদের আনা শীতকালীন সবজিতে জমে উঠেছে জেলার বৃহৎ এই বাজার ।

অভিযোগ আছে বেশি দামে বিক্রির

নানা ঢঙে নানা রঙ এর সবজি সাজিয়ে রাখা হয় এই বাজারে।

আরো পড়ুন
বাগেরহাটে বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু: প্রতি মণ ১,৪৪০ টাকায় কিনছে সরকার
বাগেরহাটে ১,৪৪০ টাকা মণ দরে সরকারি বোরো ধান সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ৭,৫১৩ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এই অভিযানে প্রান্তিক কৃষকদের অগ্রাধিকার দিচ্ছে প্রশাসন।

বাগেরহাটে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকারি কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলাজুড়ে ৭ হাজার ৫১৩ মেট্রিক টন Read more

নাটোরে আমের বাম্পার ফলন: ৪০০ কোটি টাকার বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা
নাটোরে এবার আমের বাম্পার ফলনে ৪০০ কোটি টাকার বাণিজ্যের আশা। ১৫ মে থেকে শুরু হচ্ছে আম পাড়া।

গত বছরের মন্দা কাটিয়ে এবার নাটোরে আমের বাম্পার ফলনের হাতছানি। জেলার চারটি উপজেলার বাগানগুলো এখন গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ক্ষীরশাপাত আর স্থানীয় Read more

এরপর সেগুলো পাইকারি ও খুচরা দামে হাক-ডাক করে বিক্রি করা হয়।

বর্তমানে সবজির সরবরাহ বেশি হয়েছে তাই সবজির বেচাকেনা ধুমছে চলছে।

অবশ্য ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন আলু ও মুলা বাদে সব সবজি কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

জেলার বড় এই বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি নতুন আলু ৭ থেকে ১৪ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে।

অন্যদিকে শিম ১২ থেকে ২০ টাকা, বেগুন ১৭ থেকে ২০ টাকা, মূলা ৪ থেকে ৬ টাকা, ফুলকপি ২২ থেকে ২৪ টাকা করে বিক্রয় হচ্ছে।

তাছাড়া বাধাকপি ৭ থেকে ৮ টাকা, টম্যাটো ২০ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিটি লাউ ১৫ থেকে ১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিভিন্ন প্রকারের শাক ৪ থেকে ৬ টাকা আটি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে বিক্রেতারা জানান বাজারে সবজি বিক্রি করে ভালো দাম পাচ্ছেন।

সবজি বিক্রেতা হাসেম আলী জানান যে, ৫ বিঘা জমিতে ফুলকপির চাষ করেছেন তিনি।

ফলন ভালো হবার কারণে ভালো দাম পাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

তবে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান আলু ও মুলার দামে তাদের লোকসান গুণতে হচ্ছে।

আলুচাষী আব্দুল করিম বলেন, সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি এলাকায় ১০ বিঘা জমিতে গেনুলা জাতের আলু চাষ করেছেন তিনি।

প্রতি কেজি আলুতে ১০-১২ টাকা উৎপাদন খরচ হয়েছে।

কিন্তু সেটিই ৬ থেকে ৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মুলা ব্যবসায়ী মোহম্মদ সবুজ খন্দকার জানান, শীতের শুরুর দিকে মুলার দাম কয়েকদিন বেশি ছিল।

কিন্তু বর্তমানে এটি একদম সস্তা, চাহিদাও নেই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপপরিচালক আবু হোসেন।

তিনি জানান, এ বছর জেলায় শাক-সবজি চাষ করা হয়েছে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে।

এদের ফলনও খুব ভালো হয়েছে।

কিন্তু বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় আলু ও মূলার চাহিদায় কিছুটা প্রভাব পড়েছে।

0 comments on “শীতকালীন সবজিতে জমে উঠেছে ঠাকুরগাঁও এর কাঁচা বাজার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ