Sunday, 05 July, 2026

পুকুরের পানির ঘোলাত্ব সমস্যা এবং দূর করার উপায়


Water turbidity

পুকুরের পানি ঘোলা হলে মাছের বিভিন্ন সমস্যার সূত্রপাত হয়। মাছের ঘোলা পানি জনিত সমস্যার মধ্যে রয়েছে, মাছ খাদ্য কম খায়, মাছের দৃষ্টি শক্তি কমে যায়।

এছাড়া পানি ঘোলা হলে পানিতে সূর্যের আলো পৌছাতে পারে না তাই প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি হতে পারে না, প্রজনন সমস্য হয়, বিভিন্ন ক্ষত রোগ দেখা দেয় এবং মাছ বৃদ্ধি পায় না।

ঘোলা পানিতে মাছের ফুলকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফুলকায় মাটি প্রবেশ করে মাছ মারা যেতে পারে।

আরো পড়ুন
লোকসানের বৃত্তে উত্তরবঙ্গের কৃষি: ধুঁকতে থাকা চাষিদের বাঁচিয়ে রেখেছে ‘সুপারি’র নীরব বিপ্লব

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বালারহাট বাজারে এক বস্তা সদ্য পাড়া সুপারি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ৬০ বছর বয়সী কৃষক মোবারক হোসেন। তাঁর Read more

মৎস্য চাষে নতুন বিপ্লব: বাকৃবি গবেষকদের উদ্ভাবনে ফিশমিলের বিকল্প দেশীয় ‘অণুশৈবাল’

বাংলাদেশের মৎস্য চাষের অন্যতম প্রধান ব্যয়বহুল উপাদান হলো মাছের খাবার বা অ্যাকোয়াফিড। বিশেষ করে ফিডে ব্যবহৃত আমিষের মূল উৎস ‘ফিশমিল’ Read more

পুকুরের পানি ঘোলাত্ব (water turbidity) হয় কেন ?

পুকুরে পানি দুইভাবে ঘোলা হতে পারে। পানিতে অতিরিক্ত কাদা বা মাটি থাকলে পানি ঘোলা হয়ে যায়। আবার পুকুরে অতিরিক্ত প্ল্যাংকটন উৎপন্ন হলেও পুকুরের পানি ঘোলা হতে দেখা যায়।

পুকুরের পানি অধিক ঘোলা হলে পানিতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে না এবং এ কারনে পুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাবার তৈরি হতে পারে না।

এ ছাড়াও পানি অধিক ঘোলা হলে মাছের ফুলকার উপরেও ঘোলা পানির কনা গুলো জমতে থাকে। ফলে মাছের নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং বেশি খারাপ অবস্থায় মাছের মৃত্যু হতে পারে।

পুকুরের পানির ঘোলাত্ব (Water turbidity) দূর করার উপায়

প্রতি শতাংশে ৮০ থেকে ১৬০ গ্রাম ফিটকিরি দিলে পানির ঘোলাত্ব কমে।

পুকুর তৈরির সময় জৈবসার বেশি দিলে পানির ঘোলাত্ব সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

পানিতে কলাপাতা ও কুচরিপানা রাখলেও পানির ঘোলাত্ব কমে।

এছাড়া প্রতি শতাংশে ১-২ কেজি চুন অথবা জিপসাম প্রয়োগ করলে পানির ঘোলাত্ব কমে।

0 comments on “পুকুরের পানির ঘোলাত্ব সমস্যা এবং দূর করার উপায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ