Monday, 12 January, 2026

সুনামগঞ্জে বন্যার পানিতে কৃষকের ৪৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে


সুনামগঞ্জে বন্যা

সুনামগঞ্জে বন্যার কারণে কৃষকদের প্রায় ৪৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই বন্যার ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং অনেক কৃষক তাদের রোপিত শস্য হারিয়েছেন।

অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে প্রায় দুই হাজার ২৬৭ হেক্টর ফসলি জমি বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়। এতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রায় ১০ হাজার কৃষক পরিবার। তাদের প্রায় ৪৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির এই পরিমাণ প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী করা হয়েছে, যা আসল ক্ষতির চেয়ে বেশি হতে পারে। বন্যার কারণে কৃষি ক্ষেত্রে এমন বিপর্যয় প্রায়শই কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলে। সাহায্য ও পুনর্বাসন কর্মসূচি দ্রুত চালু করা প্রয়োজন যাতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারেন।

আরো পড়ুন
শীতে আলুর মড়ক বা নাবি ধসা রোগ: ফসল রক্ষায় কৃষকের করণীয়
আলুর মড়ক বা নাবি ধসা (Late Blight) রোগের চিত্র

শীতের মৌসুমে আলুর ফলন নিয়ে যখন কৃষক স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন, ঠিক তখনই বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ‘নাবি ধসা’ Read more

মাগুরায় সরিষা ফুলের মধু চাষে সফল বাবা-ছেলে: দেশজুড়ে বাড়ছে চাহিদা
মাগুরায় সরিষা ফুলের মধু চাষে সফল বাবা-ছেলে

মাগুরা মাগুরার দিগন্তজোড়া হলুদ সরিষার মাঠ এখন কেবল নয়নাভিরাম দৃশ্যই নয়, বরং স্থানীয় কৃষকদের জন্য আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরিষা Read more

সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, এ বছর সুনামগঞ্জ জেলায় ৭ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আউশ ধান এবং ৩ হাজার ৩৭৭ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি আবাদ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১ হাজার ৭০০ হেক্টর আউশ আবাদি জমি এবং ৫৬৭ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুনামগঞ্জে আউশ ধানের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১১ কোটি টাকা এবং গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির ক্ষতি হয়েছে ৩৩ কোটি টাকার।

সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম জানান, এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৪০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এ কাজ চলমান আছে। ভবিষ্যতে সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে সকল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে সহযোগিতা করার চেষ্টা করা হবে।

0 comments on “সুনামগঞ্জে বন্যার পানিতে কৃষকের ৪৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ