Thursday, 23 July, 2026

মরছে মৌমাছি, ক্ষতিগ্রস্থ মৌ চাষিরা


জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে মরে যাচ্ছে হাজার হাজার মৌমাছি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মধু সংগ্রহ করতে আসা মৌচাষিরা।

জানা যায়, সরিষাভান্ডার নামে খ্যাত সরিষাাড়ী উপজেলায় দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মৌচাষিরা মধু সংগ্রহ করতে আসেন। মৌচাষিরা সরিষাক্ষেতের পাশে মৌ বক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করেন। তবে গত এক সপ্তাহের অধিক সময় ধরে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে মধু সংগ্রহ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মৌ চাষিরা। এদিকে তীব্র শীতের কারণে বক্স থেকে মৌমাছিরা বের হচ্ছে না। যে সব মৌমাছি বের হচ্ছে তীব্র শীতের কারণে সেগুলোও মারা যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে এখানে প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। এসব জমির পাশে প্রায় ৭ শতাধিক মৌমাছির বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করছে মৌচাষিরা।

আরো পড়ুন
পটুয়াখালীতে দেশের প্রথম নিবন্ধিত সাপের খামার: কোটি টাকার অ্যান্টিভেনম আমদানির বিকল্প

বাংলাদেশে প্রতি বছর বিষধর সাপের ছোবলে হাজারো মানুষের মৃত্যু হয়, আর এই প্রাণঘাতী দংশনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ‘অ্যান্টিভেনম’ সংগ্রহের জন্য প্রতি Read more

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের বড় পদক্ষেপ: ৭ লাখের বেশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ঋণ মওকুফ
Bangladesh Krishi Bank (BKB)

সরকারি ঋণ মওকুফ কর্মসূচির আওতায় ৭ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ৬০৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার Read more

মৌচাষি কামাল হোসেন বলেন, এখানে আগাম সরিষা আবাদ হয় শুনে অনেক আশা নিয়ে আসছিলাম। ভেবেছিলাম মৌমাছিগুলো বেশি মধু সংগ্রহ করবে। প্রচুর মধু উৎপাদন করতে পারবো। কিন্তু তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে মৌ কলোনিগুলো ধ্বংসের আশস্কা দেখা দিযেছে। তাই সরকারি সহায়তা কামনা করি।

উপজেলা সিনিয়র কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সরিষার ফুল আসার আগেই ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীত পড়ে গেছে। তাই হয়তো মৌমাছি মধু আহরণ করতে পারছেন না। এদিকে সরিষাচাষিরা ফুল আসার সাথে সাথেই বিভিন্ন কীটনাশক প্রয়োগ করছে। এতেও মধু সংগ্রহ করতে ব্যহত হচ্ছে। আমরা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের বুঝাতে চেষ্ঠা করছি যে ফুল আসলে কীটনাশক ক্ষেতে প্রয়োগ করলে সরিষার ফলন ভালো হয় না এবং মধু সংগ্রহ করতে আসা মৌমাছিও মারা যায়।

0 comments on “মরছে মৌমাছি, ক্ষতিগ্রস্থ মৌ চাষিরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ