Wednesday, 11 March, 2026

করোনার প্রভাবে হাঁসের খামারে কোটি টাকার লোকসান


হাঁসের খামার

এগ্রোবিডি ডেস্কঃ করোনার প্রভাব পৃথিবীকে পিছিয়েছে কয়েক যুগ। কৃষি ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমান প্রত্যক্ষ ভাবে ব্র্যাকের সমীক্ষাতে ৫৬ হাজার কোটি টাকা হলেও এ ক্ষতির পরিমান কয়েক গুন বেশি।

করোনা মহামারিতে সারাদেশে হাঁসের খামারে ক্ষতির পরিমান কোটি টাকার বেশি। সিলেট, মৌলভীবাজার সহ সারা বাংলাদেশ যারা ব্যানিজ্যিক ভাবে হাঁস পালন করে সে সব উদ্দোক্তাদের লোকসান ক্ষতি কোটি টাকা।

হাঁসের খামারে ডিম ও বাচ্চা দেয়ার উপযুক্ত সময় মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত হাঁসের ডিম ও বাচ্চার চাহিদা বেশি থাকে। মার্চ থেকে মে পর্যন্ত টানা দুই মাস কঠোর লক ডাউনের কারনে সারা দেশে যোগাযোগ করা কঠিন হয়।

আরো পড়ুন
দেশীয় ছত্রাক থেকে জৈব বালাইনাশক উদ্ভাবনে বাকৃবির উদ্যোগ

কৃষিতে রাসায়নিক বালাইনাশকের অতিব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ সবজি উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশীয় প্রযুক্তিতে জৈব বালাইনাশক (বায়োপেস্টিসাইড) তৈরির ওপর Read more

গলদা চিংড়ির স্বভোজি- ক্যানিবালিজম (Cannibalism) কমাতে কার্যকর আধুনিক পদ্ধতি
গলদা চিংড়ির ক্যানিবালিজম কমাতে কার্যকর আধুনিক পদ্ধতি

গলদা (Macrobrachium rosenbergii) অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও ক্যানিবালিস্টিক, বিশেষ করে ঘন স্টকিং ও মোল্টিং সময়ে, ফলে মৃত্যুহার ২০–৫০% পর্যন্ত যেতে পারে Read more

চুয়াডাঙ্গার আলম ডাঙ্গার জাকির এন্ড ব্রাদার্স মিক্সড এগ্রো ফার্ম এন্ড হ্যাচারী যেখানে বেইজিং ও খাকি ক্যাম্বেল জাতের ২৫ হাজার হাঁস রয়েছে। এ ফার্ম তিন মাসে প্রায় ১৫ লাখ একদিনের বাচ্চা উৎপাদন করে। তাদের এ বাচ্চা ২২ টাকার পরিবর্তে ৭ টাকা দরে ৫ লাখ বিক্রি করতে পেরেছে। বাকি ১০ লাখ বাচ্চা অবিক্রিত মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে।

হাঁস
হাঁস, ছবিঃসংগ্রহ করা

সিলেটের সোনালি খামার তাদের বাচ্চার দাম না পাওয়াতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানান। করোনার কারনে ডিম ও বাচ্চা বিক্রি হ্রাস পেয়েছে।

এ বিষয় কে লক্ষ রেখে হবি গঞ্জ প্রশাসন হাঁস চাষের বিপরিতে ছাগল দেয়ার কথা ”হাঁস এ স্বচ্ছল তো পাবেন ছাগল’‘ বলে হাঁস চাষে চাষিদের উৎসাহ করেছেন।

হাঁসের খামারে এমন লোকসানের কারনে অনেক উদ্দোক্তা টাকার অভাবে খামার বন্ধ করে দিবেন ভাবছেন।

0 comments on “করোনার প্রভাবে হাঁসের খামারে কোটি টাকার লোকসান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ