Wednesday, 29 July, 2026

সুন্দরবন-পর্যটন খুলতে মানববন্ধন


Sundor bon bondho

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে অনেক কিছুই বদলেছে। সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে অনেক, বন্ধ হয়েছে তার চেয়ে বেশি। ক্ষতি হয়েছে দেশের পর্যটন শিল্পের।

সেই সাথে এর সাথে জড়িত থেকে যাদের ঘর সংসার বা পেট চলে বা বলা যায় যাদের জীবিকা নির্ভর করে তাদের আয় বন্ধ হয়েগেছে। তাই তারা করেছে মানববন্ধন।

গত মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহেই অন্যান্য স্থানের মত দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে দেয়া হয় সুন্দরবন। আর তাতে বিপাকে পড়েন সুন্দরবন সংশ্লিষ্ট প্রায় দুই সহস্রাধিক ব্যবসায়ী ও কর্মচারী। রোজগার বন্ধ হয়ে পড়ে প্রায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

আরো পড়ুন
নিলামের শুরুতেই চাঙ্গা চায়ের বাজার: তিন সপ্তাহে কেজিতে বাড়ল ৫০ টাকা, খুচরায় বাড়ছে চাপ

নতুন নিলামবর্ষের শুরুতেই চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দেশের চায়ের বাজার। তিন সপ্তাহের ব্যবধানে নিলামের পাশাপাশি পাইকারি পর্যায়ে চায়ের দাম কেজিপ্রতি ৫০ Read more

লাভজনক বাণিজ্যিক আমড়া চাষ: সফল হতে চাষির করণীয় ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা

বাংলাদেশের জলবায়ু ও মাটি আমড়া চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সাম্প্রতিক সময়ে কম খরচে বিপুল অর্থ উপার্জনের কারণে দেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে Read more

গত সোমবার এ নিষেধাজ্ঞা বাতিলের জন্য মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা, মোংলায় গিয়ে তেমনি চিত্র দেখা যায়।

সুন্দরবন বিভাগ সূত্রে জানা যায় অক্টোবর থেকে মার্চ মাস সুন্দরবনে পর্যটন মৌসুম শুরু হয়, যদিও সারাবছরই ভিড় থাকে। বনবিভাগও উল্লেখযোগ্য হারে রাজস্ব আয় করে থাকে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী শুধু মোংলা উপজেলায়ই অন্তত ৩৫০টি ট্যুরিস্ট বোট, ১৫০টি ট্রলার এবং ৫০টি লঞ্চ চলাচল করে থাকে। এতে কর্মসংস্থান হয় প্রায় ‍দুই হাজার লোকের। কিন্তু গত মার্চ মাসের নিষেধাজ্ঞায় সকল কিছু বন্ধ হয়ে গেছে।

মোংলা জালিবোট মালিক সমিতির দাবী প্রাদুর্ভাবের কারণে নৌযান ও পর্যটক চলাচল বন্ধ করে দেয় বনবিভাগ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ।

ফলে গত ৫ মাস যাবত আয় নেই কারও। তাদের দাবী দেশের বিভিন্ন স্থান খুলে দেওয়া হলেও কেবল ব্যাতিক্রম হল সুন্দরবন। তাই তারা মানববন্ধনে সমর্থন করেন। তাছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যাবসা পরিচালনা করার প্রতিশ্রুতিও দিচ্চে সমিতি।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বলেন, লকডাউন ও বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বনবিভাগও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতি হওয়া রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ১৪ লাখ টাকা। কর্মকর্তার দাবী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও এখনও তিনি খুলে দেবার ব্যাপারে সেরকম কোন নির্দেশনা পাননি। তবে নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই দ্রুত সুন্দরবন খুলে দেওয়া হবে বলে জানান।

0 comments on “সুন্দরবন-পর্যটন খুলতে মানববন্ধন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ