Thursday, 15 January, 2026

সার-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত সুনামগঞ্জের কৃষকরা


সার-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত কৃষক

সুনামগঞ্জে হাওর সমূহে বোরো ধানের আবাদ শেষ হয়েছে। সবুজ ধানের চারা সম্বলিত সেই সব জমিতে ইউরিয়া সার দিচ্ছেন কৃষকরা। কিন্তু এই সার ৪ থেকে ৫ টাকা বেশি দামে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে ডিজেলের মূল্য আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জমিতে সেচ দিতে গিয়ে বেশি খরচ পড়ছে তাঁদের। তাই সার-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কৃষকরা খুব চিন্তিত।

সংকট না থাকলেও দাম বাড়ানোর অভিযোগ

কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে।

আরো পড়ুন
আমে লোকসান : বিকল্প সমৃদ্ধির খোঁজে বরই চাষে ঝুঁকছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষক
বরই চাষে ঝুঁকছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষক

চাঁপাইনবাবগঞ্জ দেশের ‘আমের রাজধানী’ হিসেবে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি ও অর্থনীতি কয়েক যুগ ধরে আম কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হলেও সাম্প্রতিক Read more

বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণী সংরক্ষণ ও দেশীয় জাত বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ মৎস্য উপদেষ্টার

নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং তাদের স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনাকে অত্যন্ত জরুরি বলে অভিহিত করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Read more

তারা জানান যে, হাওরে বোরো আবাদ শেষ হবার কারণে এখন জমিতে তারা ইউরিয়া সার প্রয়োগ করছেন।

হাওরে বর্তমান সময়ে ইউরিয়া সারের চাহিদা খুব বেশি।

এই সারের প্রভাবে ধানের চারা শক্ত হয়, পাশাপাশি মাটির উর্বরতা শক্তি বেড়ে যায়।

কিন্তুবিভিন্ন এলাকার খুচরা বাজারে ইউরিয়া সার ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অথচ খোজ নিয়ে জানা গেছে ইউরিয়া সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৬ টাকা প্রতি কেজি।

কৃষকেরা অভিযোগ করেন, বাজারে সারের সংকট না থাকলেও খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

যার কারণে এই সার ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে।

একই সাথে এ সময়ে জমিতে যথাযথভাবে সেচ দিতে হয়।

বাজারে এখন প্রতি লিটার ৮০ থেকে ৮৫ টাকা দরে ডিজেল বিক্রি হচ্ছে।

জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে িএ বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যায়।

ইউরিয়া সার এক মাস আগে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮–২০ টাকায়।

তাছাড়াও ২২ টাকা কেজির টিএসপি সার এখন বিক্রি হচ্ছে ২৪-২৫ টাকা দরে।

একই অবস্থা দেখা গেছে এমওপি সার ১৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৮ টাকা কেজি।

বেশি দামে সার ও ডিজেল কেনায় কৃষকদের জমি আবাদে খরচ অনেক বেড়ে গেছে।

সুনামগঞ্জে সারের কোনো সংকট নেই।

এমন তথ্য জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সোম।

এ কর্মকর্তা জানান যে, সারের পর্যাপ্ত মজুত আছে জেলায়।

কোথাও যাতে বেশি দামে সার বিক্রি না হয় এ জন্য তারা তদারকির ব্যবস্থা করেছেন বলে জানান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের তদারকিতেই সার বিক্রি হচ্ছে।

কোথাও কেউ বেশি দামে সার বিক্রির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুশিয়ারি দেন।

ডিজেলের বিষয়ে তিনি জানান যে দাম বাড়ার কারনে কিছুটা সমস্যা হয়তো হচ্ছে।

তবে সার, ডিজেল যথা সময়ে পাওয়া যাচ্ছে এবং সব বিষয়েই তদারকি করা হচ্ছে।

0 comments on “সার-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত সুনামগঞ্জের কৃষকরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ