Monday, 31 August, 2026

ড্রাগন ফল চাষে হরমোনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে দাম কমে অর্ধেকে


ড্রাগন ফল

ড্রাগন ফল নিয়ে অপপ্রচার শুরু হওয়ায় ক্রেতা কমে যাওয়া , আগ্রহ কমে গেছে গ্রাহকের- তাতে আর্থিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাষিরা। কমেছে ড্রাগন ফলের দাম। ড্রাগন ফলের চাহিদা কমে গেছে কয়েকগুন।

ড্রাগন ফলের মৌসুম মে থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত। দেশের কিছুসংখ্যক চাষি বছরব্যাপী এই ফল চাষের জন্য ‘লাইটিং পদ্ধতি’ ব্যবহার শুরু করেছেন।

‘লাইটিং পদ্ধতি’ ব্যবহার করে সারা বছর ড্রাগন ফল উৎপাদিত হচ্ছে। অসময়ের ফল মৌসুমের ফলের চেয়ে বড় হয়। চাষিরা বলছেন, অসময়ের ড্রাগন ফল নিয়ে সম্প্রতি নানা ‘অপপ্রচার’ শুরু হওয়ায় বাজারে এই ফলের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তাতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন রাজশাহীর ড্রাগনচাষিরা।

আরো পড়ুন
অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সফল মৎস্য খাত, এবার নজর বিশ্ববাজারে রপ্তানি বাড়ানোয়: জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনীতে মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ বর্তমানে মাছের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে সম্পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, Read more

দেশের অব্যবহৃত জলাশয় সংস্কার করে তরুণদের মধ্যে বন্টন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক ও কর্মসংস্থানমুখী করতে সরকারি জলমহাল, অব্যবহৃত পুকুর, হাওর-বাঁওড় ও জলাশয় সংস্কার করে স্থানীয় বেকার Read more

চাষিরা বলছেন, নানা অপপ্রচারের কারণে এখন অর্ধেক দামেও ড্রাগন ফল বিক্রি করা যাচ্ছে না। তাই ড্রাগন ফল নিয়ে অপপ্রচার রোধে সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা।

কিভাবে চিনবেন হরমোন ব্যবহার না করা ড্রাগন ফল

চাষির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদন করা ড্রাগন ফলের পুরোটাই লাল রঙের হয়, খোসাও থাকে পাতলা।

কৃত্রিমভাবে বড় করা ড্রাগন ফলের খোসা মোটা থাকে এবং সেই ফল পুরোপুরি লাল হয় না। তাই ক্রেতারা দেখলেই সহজে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম ড্রাগন ফল চিনতে পারেন।

0 comments on “ড্রাগন ফল চাষে হরমোনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে দাম কমে অর্ধেকে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ