Thursday, 17 September, 2026

আশ্চর্য এক বাছুর দিচ্ছে দুধ


বাছুরের দুধ

আশ্চর্য এক বাছু দিচ্ছে দুধ

আশ্চর্য এক বাছুরের সন্ধান মিলেছে ঝিনাইদহ কালীগঞ্চ উপজেলায়। বাছুরটি কেবল দুধ খায়ই তা নয়, বরং দুধ দেয়ও । উপজেলার মহাদেবপুর গ্রামের সরস্বতী নামক এই বাছুরের কাছ থেকে প্রতিদিন ৩০০ গ্রাম করে দুধ পাওয়া যাচ্ছে গত একমাস ধরেই।

বাছুরের শরীরের কথা ভেবে কম দুধ বের করেন বলে দাবী করেন গরুর মালিক কনজ বিশ্বাস। তিনি বলেন ঠিকমতো দুধ বের করলে শরীর খারাপ হবে তাই বের করা হয় না, আবার এটুকু দুধ না বের করলে তা মাটিতে ফোটায় ফোটায় ঝড়ে পড়ে তাই এটুকু নেয়া হয়। কনজ বিশ্বাসের ভাষ্যমতে তারা দুধ খেয়েছেন এবং বর্তমানে তা মন্দিরের পূজার জন্য দেন।

আরো পড়ুন
গুদামে উপচে পড়া সার, মাঠে হাহাকার: ত্রুটিপূর্ণ বিতরণ ব্যবস্থায় জিম্মি আমন চাষিরা

সারাদেশে মাঠপর্যায়ে আমন ধানের আবাদ পুরোদমে চলছে। এই সময়ে কৃষকদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ইউরিয়াসহ অন্যান্য সার। সরকারি তথ্যমতে, দেশে সারের Read more

বাড়তি দাম ও পর্যাপ্ত মজুতে ২০২৩-২৭ মেয়াদে গম আমদানি ১১% কমার পূর্বাভাস
বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধি ও দেশে পর্যাপ্ত মজুদের কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে গম আমদানি ১১% কমে ৬৬ লাখ টনে নামার পূর্বাভাস দিয়েছে USDA

বিশ্ববাজারে চড়া দাম, বাজারে পর্যাপ্ত মজুদ এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের অনিশ্চয়তার কারণে আগামী ২০২৬-২৭ বিপণন বছরে বাংলাদেশে গম আমদানি ১১ Read more

৩০০ গ্রামের মতো দুধ নেয়া হলে দুধ নেয়া বন্ধ করে দেন বাড়ির কর্ত্রী মৈত্রী বিশ্বাস। তার ভাষ্যমতে নিজেদের দুধের চাহিদা পূরণ করতে তারা একটি গাভী পালন করেন। তিন বছরে গঙ্গা নামের একটি বাচ্চা হয়, এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে আরেকটি বাচ্চা দেয়।

গত একমাস ধরে সেই বাচ্চাটি থেকে দুধ বের হয়। মাঝেমধ্যে মাটিতে পড়তে দেখে একদিন বাচ্চাটির দুধ বের করতে গিয়ে দেখা যায় অনেক বেশি দুধ এসেছে। একজন পশুচিকিৎসক ওষুধের মাধ্যমে দুধ শুকিয়ে ফেলার পরামর্শ দিলে গ্রামের লোকজন এর বিপক্ষে মত দেয় এবং ঐ দুধ মন্দিরে পূজার জন্য দিতে বলে। কিছুদিন দুধ খাবার পরে, তারা তা মন্দিরে দিচ্ছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আতিকুজ্জামান জানান, এ ধরনের ঘটনা বিরল। হরমোনজনিত কারণে এরূপ ঘটে থাকতে পারে। অল্পদিনে তা বন্ধ হয়ে যাবে বলে মত দেন তিনি।

0 comments on “আশ্চর্য এক বাছুর দিচ্ছে দুধ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ