Sunday, 28 June, 2026

শরতের রাণী চন্দ্রমল্লিকা


শরতের রানী চন্দ্রমল্লিকা

মানুষ সৌন্দর্যের পূজারী। একই ভাবে সৌন্দর্যের পাগল আমাদের দেশের মানুষ। যার কারণে আমাদের দেশ ফুলের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। অধিকাংশ মানুষ ব্যবহার করে অথচ নাম প্রায় জানেনা বল্লেই চলে এমন একটি ফুল হল চন্দ্রমল্লিকা।

এমনকি এই ফুল চাষে ভাগ্য ফেরানো অনেক লোকও জানেনা এর বাংলা নাম। অনেকে একে ক্রিসেন্থাম ফুল বলে থাকলে ও এর ইংরেজি নাম হল ক্রিসেন্থিমাম (Chrysanthemum)।

ক্রিসেন্থিমাম নামকরণেরও একটি কারণ রয়েছে। বড়দিন বা খ্রিষ্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ক্রিস্টমাসের সময় এই ফুল ফোটে।

আরো পড়ুন
সস্তা সিন্থেটিক ফাইবারের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চাপে বাংলাদেশের পাটপণ্য: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
সস্তা সিন্থেটিক ফাইবারের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চাপে বাংলাদেশের পাটপণ্য

আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে স্বল্পমূল্যের সিন্থেটিক ফাইবারের বিশ্বব্যাপী সহজলভ্যতা এবং ক্রমবর্ধমান ব্যবহার বাংলাদেশের পাটপণ্যের জন্য একটি বড় সংকট সৃষ্টি করেছে। এটি Read more

ক্ষতিকর জাল উৎপাদন বন্ধের কঠোর নির্দেশ মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর: জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও বিশেষ কার্ডের ঘোষণা
ক্ষতিকর জাল উৎপাদন বন্ধের কঠোর নির্দেশ মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী সব ধরনের ক্ষতিকর জাল উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও Read more

গ্রীক শব্দ ‘ক্রিসস’ অর্থ সোনা আর ‘থিমাম’ এর অর্থ হলো ফুল, দুটো যোগ করলে দাড়ায় সোনার ফুল। এছাড়াও এ ফুলের আরেকটি নাম ‘সেবতী, চন্দ্রমূখী’।ছাদে বাগান করতে পড়ুন ছাদ কৃষি। 

চন্দ্রমল্লিকা অতি পরিচিত ও বাণিজ্যিক ভাবে চাষাবাদকৃত জনপ্রিয় ফুল। এই ফুলের অনেকগুলো প্রজাতির মধ্যে ‘জলদি, জাত, মেঘামি, ঊনা, চন্দমা, স্নোবল, সোনার বাংলা, রোজডে, পুইসা পকেট ইত্যাদি।বাংলাদেশে বিশেষভাবে পরিচিত তিন রঙা চন্দ্রমল্লিকা, তোর চন্দ্রমল্লিকা, মালীর চন্দ্রমল্লিকা এই তিনটি প্রজাতি।

শরতের রানী চন্দ্রমল্লিকা
শরতের রানী চন্দ্রমল্লিকা

এ গাছ আকারে ৫০ থেকে ১৫০ সেমি লম্বা হয়। এর যে ফুলগুলো বড়া আকারের হয় সেগুলো হয় সাদা অথবা হলুদ রঙের। এর আদি উৎস নিয়ে বলা হয়ে থাকে যে জাপান বা চীনদেশে এর জন্ম হয়েছে। শরৎ এর রাণী হিসেবে পরিচিত এ ফুলের রয়েছে নানা রঙ এর বাহার ও গঠন।

চন্দ্রমল্লিকা ফুলের বাণিজ্যমূ্ল্য কিন্তু আন্তর্জাতিক ভাবে প্রথম সারির দিকে। সাধারনত অক্টোবরে এই ফুলের কুড়ির দেখা পাওয়া যায়। নভেম্বরে ফোটে ফুল, যা প্রায় ২০-২৫ দিন তাজা থাকে। আজকাল ভালোবাসা দিবসে কিন্তু েএই ফুলের ব্যবহার হয় প্রচুর। তাছাড়া বাসা বাড়িতে সৌখিন মানুষের পছন্দের তালিকায় একদম উপরের স্থানে স্থান করে নিয়েছে চন্দ্রমল্লিকা ফুল। মূলত লম্বা ডাটাসহ একে খুব সহজেই ফুলদানিতে সাজিয়ে রাখা যায়।

বিয়ে কিংবা গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানই হোক, সভা-সমাবেশ এর মঞ্চ ডেকোরেশনের কথা বলা হোক অথবা স্কুল কলেজের প্রধান অতিথির টেবিলের কথা বলা হোক সেখানে কিন্তু সবচেয়ে মানানসই হচ্ছে এই ক্রিসেন্থিমাম বা চন্দ্রমল্লিকা ফুল। একরাশ গোলাপের শুভেচ্ছা বলা হলেও চন্দ্রমল্লিকার উপস্থিতি কিন্তু খুব বেশি পরিমানে।

0 comments on “শরতের রাণী চন্দ্রমল্লিকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ