Saturday, 27 June, 2026

পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৫ হাজার টন পেয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত


পেঁয়াজ

প্রতিবছর বিশেষ করে রোজার আগে, কোরবানির ঈদের আগে ও অক্টোবর-নভেম্বর মাসে দেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়লে বা উৎপাদন কম হলে এর প্রভাব পড়ে দেশের বাজারে। তাই এ নিয়ে প্রায়ই হইচই শুরু হয়।

আগাম সতর্কতা নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আগামী সেপ্টেম্বর মাসকে লিড পিরিয়ড বিবেচনায় নিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বা সংগ্রহের জন্য টিসিবি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চেয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির দশম সভায় ১৫ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন
সস্তা সিন্থেটিক ফাইবারের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চাপে বাংলাদেশের পাটপণ্য: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
সস্তা সিন্থেটিক ফাইবারের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চাপে বাংলাদেশের পাটপণ্য

আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে স্বল্পমূল্যের সিন্থেটিক ফাইবারের বিশ্বব্যাপী সহজলভ্যতা এবং ক্রমবর্ধমান ব্যবহার বাংলাদেশের পাটপণ্যের জন্য একটি বড় সংকট সৃষ্টি করেছে। এটি Read more

ক্ষতিকর জাল উৎপাদন বন্ধের কঠোর নির্দেশ মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর: জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও বিশেষ কার্ডের ঘোষণা
ক্ষতিকর জাল উৎপাদন বন্ধের কঠোর নির্দেশ মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী সব ধরনের ক্ষতিকর জাল উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও Read more

দেশে মসলার আবাদি জমির পরিমাণ ৩ লাখ ৮৭ হেক্টর জমি। এর মধ্যে ১ লাখ ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করা হয়। এতে গড়ে প্রতিবছর ২২-২৩ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়।

যার মধ্যে পচে নষ্ট হয় ২০-৩৫ শতাংশ। এ হিসাবে বাজারে আসে ১৭-১৬ লাখ টন পেঁয়াজ। তার মধ্যেও ৩-৪ লাখ টন পেঁয়াজ নষ্ট হয় পরিবহন ও সংরক্ষণের দুর্বলতার কারণে।

ফলে দেশি পেঁয়াজের মধ্যে ১২-১৪ লাখ টন বাজারে আসে। দেশের মোট জনসংখ্যা অনুযায়ী বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৬ লাখ টন। ফলে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ বাজারে এলেও ঘাটতি রয়ে যায় ১২-১৪ লাখ টন, যা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

0 comments on “পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৫ হাজার টন পেয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ