Saturday, 04 July, 2026

হঠাৎ পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা


মুড়ি পেঁয়াজ নিয়ে বিপাকে কৃষক

দেশে হঠাৎ করেই পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা। পাইকারি বাজারে ২ দিনের ব্যবধানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল হবে।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ সংকটের অজুহাত দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অস্থিরতা কাটাতে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আরো পড়ুন
মৎস্য চাষে নতুন বিপ্লব: বাকৃবি গবেষকদের উদ্ভাবনে ফিশমিলের বিকল্প দেশীয় ‘অণুশৈবাল’

বাংলাদেশের মৎস্য চাষের অন্যতম প্রধান ব্যয়বহুল উপাদান হলো মাছের খাবার বা অ্যাকোয়াফিড। বিশেষ করে ফিডে ব্যবহৃত আমিষের মূল উৎস ‘ফিশমিল’ Read more

বাকৃবি গবেষকদের ১৫ বছরের সাফল্য: নতুন রঙিন জাতের মুরগি উদ্ভাবন, মিলবে অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত নিরাপদ মাংস
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকদের ১৫ বছরের গবেষণায় নতুন রঙিন জাতের মুরগি উদ্ভাবন। অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত নিরাপদ মাংস ও খামারিদের জন্য উচ্চ মুনাফার সুযোগ।

দীর্ঘ ১৫ বছরের নিরলস গবেষণার পর বাণিজ্যিকভাবে লালন-পালন উপযোগী একটি নতুন রঙিন গোশত উৎপাদনকারী মুরগির জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি Read more

গত বৃহস্পতিবার পুস্পপারা হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। রোববার আতাইকুলা হাটে এক মণ পেঁয়াজ কিনতে হয়েছে ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে। ২ দিনের ব্যবধানে শনিবার থেকে পাবনার পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ করেই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

পেঁয়াজ চাষি কামরুজ্জামান বলেন, ‘চাষিরা পেঁয়াজের উৎপাদন নিয়ে চিন্তিত থাকলেও পেঁয়াজের বাজার নির্ধারণের ক্ষমতা তাদের নেই। ব্যবসায়ীরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করেন। এখানে চাষিদের কোনো ভূমিকা নেই।’

পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বলেন, ‘দেশের উৎপাদিত পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় অংশই পাবনায় উৎপাদিত হয়। কৃষকদের ঘরে এখনো উৎপাদিত পেঁয়াজের একটি বড় অংশ মজুদ আছে। ফলে সরবরাহ সংকটের কোনো কারণ নেই।’

0 comments on “হঠাৎ পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ