Saturday, 02 May, 2026


মিনিকেট নামে চাল বিক্রি করা যাবেনা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন মিনিকেট নামে কোনো চাল বাজারে বিক্রি করা যাবে না। চালের মিলে চাল বস্তাজাত করার সময় যথাযথ নিয়ম পালন করতে হবে। বস্তার ওপরে জাতের নাম লিখে দিতে হবে।

কেউ এর ব্যতিক্রম করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবার হুশিয়ারিও দেন তিনি।

আরো পড়ুন
বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ফসল রক্ষায় কৃষকের করণীয়: একটি জরুরি নির্দেশিকা
বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ফসল রক্ষায় কৃষকের করণীয়: একটি জরুরি নির্দেশিকা

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর মানুষের হাত নেই, কিন্তু সঠিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব। বিশেষ করে Read more

ভাইরাস ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় মিরসরাইয়ে তরমুজ চাষে ব্যাপক লোকসান, ক্ষতির মুখে কৃষক
ভাইরাস ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় মিরসরাইয়ে তরমুজ চাষে ব্যাপক লোকসান, ক্ষতির মুখে কৃষক

চলতি মৌসুমে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় তরমুজ চাষে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় ও আগত কৃষকেরা। ভাইরাসের আক্রমণ, প্রতিকূল Read more

গত বুধবার সকালে গাজীপুরের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

এসময় এসব কথা বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

পরিদর্শনের সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম।

আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মকবুল হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাহিদ রশীদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সচিব কামরুন্নাহার।

সেই সাথে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইয়েদুল ইসলাম, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমানসহ প্রমুখ এতে উপস্থিত ছিলেন।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মিনিকেট চাল বিক্রয় সংক্রান্ত একটি সারকুলার প্রকাশিত হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ কিছুদিন আগেই এ সার্কুলার টি প্রকাশ করে।

বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাত প্রুফ হওয়ার পর সার্টিফায়েড হবে।

পরে জাত সমূহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের মাধ্যমে কীভাবে মাঠপর্যায়ে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।

সচিব আরও বলেন, গবেষকদের উদ্ভাবিত জাতগুলো বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে আরও সুন্দরভাবে কো-অর্ডিনেশনের মাধ্যমে দ্রুত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব।

এবং এটি সম্ভব করা গেলে দেশীয় ফলন আগামী খুব দ্রুতই দ্বিগুণের কাছাকাছি চলে আসবে।

সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব অন্যান্য সচিবদের নিয়ে ব্রি পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ, হাইব্রিড রাইস বিভাগ, জীবপ্রযুক্তি বিভাগ, শস্যমান ও পুষ্টি বিভাগ, রাইস ফার্মিং সিস্টেম বিভাগ, খামার যন্ত্রপাতি ও ফলনোত্তর প্রযুক্তি বিভাগ, কৌলিসম্পদ ও বীজ বিভাগ, কৃষি অর্থনীতি বিভাগ, কৃষি পরিসংখ্যান বিভাগ, ফলিত গবেষণা বিভাগ, কীটতত্ত্ব বিভাগ, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগ, খামার ব্যবস্থাপনা বিভাগ, উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব বিভাগ, কৃষিতত্ত্ব বিভাগ, মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগ এবং সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্টল সমূহ পরিদর্শন করেন।

পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ব্রির মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

কৃষি ক্ষেত্রে গবেষণা এবং মাঠপর্যায়ে জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ–সম্পর্কিত সভা পরিচালনা করে ব্রি।

সভায় ব্রির মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর বিষয় সংক্রান্ত মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

0 comments on “

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ