Tuesday, 28 April, 2026

বাংলাদেশ গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস নীতিমালা অনুমোদন


নিরাপদ কৃষিপণ্য উৎপাদনে উত্তম কৃষি চর্চায় ‘বাংলাদেশ গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস নীতিমালা, ২০২০’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (২১ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠকে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষ থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা অংশ নেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে বলেন, নিরাপদ খাদ্যপণ্যের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে উৎপাদনের শুরু থেকে সংগ্রহ ও সংগ্রহের পরে প্রক্রিয়াকরণ- মাঠ থেকে সংগ্রহ, প্যাকেজিং, পরিবহন ইত্যাদি পর্যায়ে উত্তম কৃষি চর্চা অনুসরণ করা প্রয়োজন।

আরো পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় দ্বিগুণ দামে ইউরিয়া সার আমদানি করছে ভারত, আশঙ্কা বৈশ্বিক সংকটের
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় ইউরিয়া আমদানিতে ভারতের খরচ দ্বিগুণ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় সার আমদানিতে অতিরিক্ত মূল্য দিতে শুরু করেছে ভারত। সরকারি সূত্রে জানা Read more

চকচক করবে ‘সোনালি আঁশ’ বন্ধ পাটকল চালুতে পিপিপি মডেলের উদ্যোগ
নরসিংদীর পলাশ এলাকার বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু

১. নিস্তব্ধতার চাদর সরছে পলাশে একসময় ভোরবেলায় সাইকেলের টুংটাং শব্দ আর হাজারো শ্রমিকের কোলাহলে যে নরসিংদী জেগে উঠতো – সেই Read more

‘এটা আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশ ও যারা আমাদের এখান থেকে (কৃষিপণ্য) কিনে তারা বারবার তাগিদ দিচ্ছে যে, তোমাদের গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস (গ্যাপ) নীতিমালা করতে হবে, না হলে তোমাদের এখান থেকে (পণ্য) নেবো না।

নীতিমালার উদ্দেশ্য তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নিরাপদ ও পুষ্টিমান সম্পন্ন ফসলের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা, পরিবেশ সহনীয় ফসল উৎপাদন নিশ্চিতকরণ এবং কর্মীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ করা।

পৃথিবীর সব দেশেই খাদ্য সংরক্ষণে অক্সাইড ব্যবহার করা হয় জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, নির্ধারিত মাত্রায় এটা ব্যবহার করতে হবে। আমাদের সমস্যা হচ্ছে যারা উৎপাদন ও সরবরাহকারী বিভিন্ন রকমের পাউডার ব্যবহার করতে হয়। স্বাস্থ্যহানি যাতে না হয় সেই মাত্রায় এটা ব্যবহার করতে হবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের আইটেম আমরা যখন বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করি এগুলো (উত্তম কৃষি চর্চা) নিয়ে কথাবার্তা হয়। শুধু বাইরে নয়, দেশের ভেতরেও যেগুলো সাপ্লাই দেওয়া হবে সেগুলো এই নীতিমালার অধীনে মান ঠিক করে নিতে হবে, ভেরিফাই করে নিতে হবে। এজন্যই নীতিমালা করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী খাদ্য শৃঙ্খলের সব স্তরে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। ভোক্তার স্বাস্থ্য সুরক্ষা করাও এই নীতিমালার অন্যতম উদ্দেশ্য।

এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বীজ উৎপাদনে আমরা যাতে আরও উন্নতি করতে পারি সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। মোট বীজের চাহিদার ২৩/২৪ শতাংশ আমরা উৎপাদন করি। বাকিটা বাইরে থেকে আনতে হয়। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে তাগিদ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আর্সেনিক কতটুকু পর্যন্ত থাকলে আপনি গ্রহণ করতে পারবেন, এগুলো সবই এগ্রিকালচাল গুড প্র্যাকটিসের মধ্যে চলে আসবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, এই নীতিমালা যদি পুরোপুরি বস্তবায়ন করা যায় তবে আমাদের বীজতলা তৈরি থেকে শুরু করে মার্কেটিং ও ভোগ পর্যন্ত মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড মেইনটেইন করা যাবে।

0 comments on “বাংলাদেশ গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস নীতিমালা অনুমোদন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ