Tuesday, 19 May, 2026

কুড়িগ্রাম জেলায় কৃষিঋণে ধীরগতি, কৃষিঋণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত


দরিদ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য কৃষি ঋণ দেয়া হয়। মাঝে মাঝে এ জন্য সরকারি বরাদ্দও থাকে। দেশের অনেক জেলায় বিতরিত হচ্ছে কৃষি ঋণ। কিন্তু কুড়িগ্রাম জেলায় কৃষিঋণে ধীরগতি বেশ লক্ষণীয়। ব্যাংকগুলোতে কৃষি ঋণ বিতরণ কার্যক্রমে তেমন কোন গতি নেই। এতে ব্যাংকগুলোতে অলস তারল্য বাড়ছে। গত বৃহস্পতিবার এ কথা বলা হয়েছে জেলা কৃষিঋণ কমিটির মাসিক সভায়।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলায় ব্যবসারত ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

কয়েকটি ব্যাংক এই জেলায় একেবারেই ঋণ বিতরণ করেনি বলে এতে জানানো হয়।

আরো পড়ুন
পেঁয়াজ চাষের প্রধান রোগবালাই ও প্রতিকার: চাষিদের জন্য পূর্ণাঙ্গ গাইড
পেঁয়াজের রোগবালাই

বাঙালির রান্নাঘরে পেঁয়াজ ছাড়া একদিনও চলা দায়। মসলা হিসেবে এর চাহিদা বারোমাসি। তবে পেঁয়াজ চাষিদের জন্য সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ Read more

গোখাদ্যের চড়া দামে কোরবানির পশুর দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা
গাইবান্ধায় এবার চাহিদার চেয়ে প্রায় ৩০ হাজার কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। তবে পশুখাদ্যের চড়া দাম ও ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় উদ্বেগে খামারিরা।

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান জেলা গাইবান্ধায় কোরবানির পশুর প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। তবে পশুখাদ্যের চড়া দাম Read more

সেই সাথে কৃষি ঋণের প্রতি ব্যাংকগুলোর অনীহার প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

কুড়িগ্রাম জেলায় ১৮টি ব্যাংক ব্যাবসা করছে।

তাদের শাখা গুলোতে দিন দিন অলস তারল্য বাড়ছে বলে জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

কিন্তু সকল ব্যাংকের বিপরীতে কৃষি ঋণ দেবার অবস্থা খুবই কম।

অনেক ব্যাংক একেবারেই দিচ্ছে না কৃষি ঋণ।

জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই সভায় জানানো হয়, কুড়িগ্রাম জেলার চাষিদের জন্য ব্যাংকগুলোর বরাদ্দ ছিল।

কেবল মসলাজাতীয় পণ্য উৎপাদনে ১৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল ব্যাংকগুলোর।

এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক এক লাখ টাকা বিতরণ করেছে।

কিন্তু ব্যবসারত বাকি ১৭টি ব্যাংক এর একটিও তা করেনি।
কৃষিঋণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোয় জোর দেয়া হয় এই অনুষ্ঠানে।

এই অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জিলুফা সুলতানা।

তিনি জানান, কৃষকদেরকে ঋণ পাওয়ার বিষয়টি জানাতে যথেষ্ট ব্যবস্থা করতে হবে।

জেলার ৭৩টি ইউনিয়ন, তহশিল অফিস ও হাটবাজারে প্রচারমূলক পোস্টার প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে।

সব ব্যাংককে সাথে সাথে আরও গতিশীল হতে হবে কৃষিঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে।

আবার কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যাংক সমূহের যে অনীহা তা দূর করতে হবে।

এগিয়ে আসতে হবে ব্যা্ংক গুলোকে।

সভায় অগ্রণী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক বায়েজিদ মো. আশরাফুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, তাঁরা ১ কোটি ৫২ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রা পেয়েছিলেন।

এর বিপরীতে তারা ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা বিতরণ করেছেন।

সে হিসেবে তাদের ঋণ বিতরণের হার ১৯ শতাংশ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক নকুল কুমার।

তাছাড়া ন্যাশনাল ব্যাংকের কুড়িগ্রাম শাখার ম্যানেজার ফুলজার হোসেন, রূপালী ব্যাংকেরম্যানেজার মর্তুজা সাইফুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 comments on “কুড়িগ্রাম জেলায় কৃষিঋণে ধীরগতি, কৃষিঋণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ