Saturday, 08 August, 2026

ঈদে নজরে এসেছে রাজবাড়ীর ‘রাজবাড়ীর রাজবাহাদুর’ ও ‘সিংহরাজ’


এবার কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজবাড়ীতে সবার দৃষ্টি কেড়েছে ৪০ মণ ওজনের ষাঁড় ‘রাজবাড়ীর রাজবাহাদুর’ এবং সিংহরাজ। জেলার সবচেয়ে বড় গরু হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় গরু দুটি। এটি দেখতে প্রতিদিন গরু মালিকের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক জনতা। দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন ক্রেতারা।

রাজবাড়ীর রাজবাহাদুর এর মালিক রাজবাড়ির জেলার কালুখালী উপজেলার মাঝবাড়ি ইউনিয়নের বংকুড়ি গ্রামের কৃষক মো. মাজেদ আলী খান।১০ ফুট লম্বা ও ৭ ফুট উচ্চতার কালো রংয়ের গরুটির দাম হাঁকছেন ১৫ লাখ টাকা।

খামারি মাজেদ আলী খান বলেন, ২০২০ সালে আমার পোষা গরু থেকে বাছুরটি জন্ম নেয়। বাছুরটি দেখতে খুব সুন্দর ছিল। আমেরিকান ডেইরি জাত থেকে জন্ম নেওয়া বাছুরটি বড় করার সাধ জাগে। সেখান থেকে বাড়তি যত্ন শুরু করি। রাজবাড়ী জেলা মূলতো রাজ-রাজাদের জেলা। তাই বাছুরটির নাম দেই ‘ রাজবাড়ীর রাজবাহাদুর’।

আরো পড়ুন
কাঁঠালের বিচিতে পুষ্টির মেগা বিপ্লব: খনিজ উপাদান ১৭ গুণ বাড়ানোর প্রযুক্তির পেটেন্ট পেল গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

অপচয় বন্ধ করে জাতীয় পর্যায়ে পুষ্টির সার্বিক ঘাটতি পূরণে এক যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদালয়ের (GAU) গবেষকেরা। ফেলে Read more

বাণিজ্যিক ও উন্নত পদ্ধতিতে মটরশুঁটি (Yellow Beans) চাষ

প্রোটিন সমৃদ্ধ মটরশুঁটি বা ডালজাতীয় খাদ্যশস্য বর্তমানে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও লাভজনক ফসল। অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও মটরশুঁটি Read more

ক্রেতারা বলছেন, গরুটি দেখতে ভালো। রাজবাড়ীর সেরা গরু এটা। আমরা ভেবেছিলাম ১০ লাখ টাকার মধ্যে হলে গরুটি ক্রয় করবো। কিন্তু কৃষককের প্রত্যাশা আরও বেশি। তাই ফিরে যাচ্ছি। বড় গরুর সঠিক ওজন প্রাণীসম্পদ দপ্তর থেকে নির্ধারণের দাবি ক্রেতাদের। তবে সবেচেয়ে বড় বিষয়, গরুটি কৃষকের হাতে বড় হয়েছে।

জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফজলুল হক বলেন, জেলায় দুইটি বড় গরু পালন করছেন খামারিরা। আমাদের নজরে এসেছে রাজবাড়ীর ‘রাজবাড়ীর রাজবাহাদুর’ ও ‘সিংহরাজ’। কৃষক মাজেদ আলী কোনো খামারি নয়। সে একজন কৃষক। তার লালন-পালন করা খামার থেকে গরুটি জন্ম নেয়। গরুটি প্রাকৃতিক খাদ্য নির্ভর এবং মানসম্মত।

0 comments on “ঈদে নজরে এসেছে রাজবাড়ীর ‘রাজবাড়ীর রাজবাহাদুর’ ও ‘সিংহরাজ’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ