ডালিম গাছের যত্ন কিভাবে নিবেন?
সঠিক ফলন পেতে হলে অবশ্যই ডালিম গাছের যত্ন ও পরিচর্চা করা প্রয়োজন। ডালিমের ফুল আসে বসন্ত কালে , তবে অনেক জায়গায় সারাবছরেই ফুল আসতে দেখা যায়।বসন্তকালের ফুল থেকে গ্রীষ্মকালে ফল হয় ।
মার্চ-এপ্রিল মাসে গাছের গোড়ার চারপাশের মাটি 16 cm সরিয়ে শিকড়গুলো 15 দিন উন্মুক্ত রাখা হয়।গাছের একটি বা দুটি প্রধান শাখা রেখে বাকিগুলো কেটে দিতে হবে। লম্বা ও সরু ডাল ছাটাই করে পাতলা করে দেয়া হয় ফল সাধারনত পুরোনো ডালের আগার দিকে ধরে থাকে।
একটি ডালিম গাছে গোবর বা জৈব সার 10 থেকে 15 কেজি হাড়ের গুঁড়ো আড়াইশ গ্রাম দিতে হবে এছাড়া ফল আসার পর নাইট্রোজেন সার মানে ইউরিয়া 250 গ্রাম পরিমাণে দিতে হবে।
ডালিম গাছের যত্ন ও পরিচর্চা এর প্রধান কাজ গুলোর মধ্যে পানি সেচ একটি। গাছে নিয়মিত হালকা সেচ দিতে হবে গোড়ার মাটি কখনোই বেশি শুকাতে দেয়া যাবে না।
ডালিমের বোটা/মাথা/ফল পঁচা রোগঃ
লহ্মণঃ
বোটা থেকে পচন শুরু হয়ে ফল পচেঁ যায়। প্রথমে ছত্রাক পরে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমনে ফল দ্রুত পচেঁ যায়।ফলে শুরুতে বাদামী পরে কালো দাগ হয়।গুদামে বেশীদিন রাখা যায় না, বাজারদর কমে যায়।
প্রতিকারঃ
বাগান ও গাছ পরিস্কার পরিছন্ন রাখা,বৎসরে দুইবার সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করা। বর্ষা মৌসুম শেষে গাছের অপ্রয়োজনীয়, মৃত, অর্ধমৃত ডালপালা ছাঁটাই করে আলো বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করা।
আক্রান্ত অংশ সংগ্রহ করে পুতে ফেলা। ফল সংগ্রহে আঘাত না দেযা, একটু বোটাসহ ফল সংগ্রহ করা।৫২ ডিগ্রি সেঃ তাপমাত্রার পানিতে ফল ১০ মিনিট চুবিয়ে গুদাম জাত করা।
চিকিতসাঃ
কার্বেন্ডাজিম ৫০ডব্লিউপি ( অটোস্টিন/ জিমগার্ড/গোল্ডাজিম/ সিনডাজিম/ নোইন/ সিডাজিম/আরবা/গিলজিম/জেনুইন/হেডাজিম/টপসিল প্লাস)-২ গ্রাম/লিঃ পানি স্প্রে।
- স্বাদু পানিতে মাছ চাষ ব্যবস্থাপনা
- মাছ চাষ এর আধুনিক পদ্ধতি
- শিং মাছের লাভজনক চাষ পদ্ধতি
- পাবদা মাছের আধুনিক চাষ পদ্ধতি
- মনোসেক্স তেলাপিয়ার নার্সারি ও চাষ ব্যবস্থাপনা
- কার্প জাতীয় মাছের রেনু প্রতিপালন
- দেশি মাগুর মাছের চাষ ব্যবস্থাপনা
- মাছের চাষে রোগবালাই নিরাময় ও প্রতিকার
- বায়োফ্লক প্রযুক্তি এবং সতর্কতা
- তারা বাইম (গুচি মাছ) মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও চাষ পদ্ধতি
ফল গাছের যত্ন
1 Answers

