Thursday, 09 April, 2026

নওগাঁয় স্কোয়াশ এর চাষ হচ্ছে, আগ্রহী কৃষকেরা


নওগাঁয় স্কোয়াশ চাষ হচ্ছে প্রথমবরের মত

উত্তরের জেলা নওগাঁয় স্কোয়াশ এর চাষ হচ্ছে। বিদেশী এই সবজির দেখা মিলেছে সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের মঙ্গলপুর গ্রামে। নওগাঁয় স্কোয়াশ এর চাষ এর খবর পেয়ে লোকজন এটি দেখতে জমিতে ভীড় করছেন প্রতিদিন।

স্কোয়াশ এর চাষ করছেন তিলকপুর ইউনিয়নের মঙ্গলপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ। তার এক বিঘা জমিতে এখন স্কোয়াশের মেলা। তারই নিজস্ব উদ্যোগে প্রথমবারের মত নওগাঁয় স্কোয়াশ এর চাষ হচ্ছে।

নওগাঁয় স্কোয়াশ চাষ হচ্ছে প্রথমবরের মত
নওগাঁয় স্কোয়াশ চাষ হচ্ছে প্রথমবরের মত
আরো পড়ুন
লাভজনক হলুদ চাষে কৃষকের করণীয়: আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও সঠিক পরিচর্যা
হলুদ শুধু একটি অতি প্রয়োজনীয় মশলাই নয়, এটি বর্তমানে অত্যন্ত লাভজনক একটি অর্থকরী ফসল।

হলুদ শুধু একটি অতি প্রয়োজনীয় মশলাই নয়, এটি বর্তমানে অত্যন্ত লাভজনক একটি অর্থকরী ফসল। স্বল্প খরচ ও পরিশ্রমে বেশি ফলন Read more

লবনাক্ত পানিতে গলদা চিংড়ি চাষে করণীয় ধাপসমূহ: লাভজনক আধুনিক পদ্ধতি
লবনাক্ত পানিতে গলদা চিংড়ি চাষে করণীয় ধাপসমূহ: লাভজনক আধুনিক পদ্ধতি

গলদা (Macrobrachium rosenbergii) হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্বাদুপানি/লবনাক্ত পানির বড় চিংড়ি। এটি ৫ ppm‑এর নিচে লবণাক্ততার ঈষৎ লোনা পানিতে ভালো Read more

বিদেশী জাতের সবজি দেখতে শসার মত

বিদেশীজাতের সবজি স্কোয়াশ। দেখতে শসার মতো হলেও আকৃতিতে আরও বড় হয়।

ওজন দুই কেজি ছাড়িয়ে যেতে পারে।

প্রথমদিকে এটিকে লম্বাকৃতির মিষ্টি কুমড়া ভেবেও ভুল হতে পারে।

বীজ বপনের দুই মাসের মধ্যেই গাছ বড় হয়ে যায়। ফুলের রং হলুদ।

প্রায় প্রতিদিনই বিচিত্র এই সবজির ক্ষেত দেখার জন্য আশপাশের এলাকার কৃষকরাও ভিড় করছেন।

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ শীতকালীন এই সবজিটি সুস্বাদু হবার পাশাপাশি উচ্চ ফলনশীল।

ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে দামও বেশি থাকায় স্কোয়াশ চাষে এবার বড় লাভের আশা করছেন লতিফ।

স্থানীয় চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায় বিদেশী এই সবজি সম্পর্কে তারা জানা তো দূরের কথা, নামও শোনেননি।

আবদুল লতিফ ই প্রথম এর চাষ শুরু করেছেন। যা তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করছে এই সবজির চাষে। অল্প সময়ে ভাল ফলন হতে েদেখে অনেকেই এটি চাষের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পরিকল্পনা করছে এর বিশাল আকারে চাষের।

মঙ্গলপুর গ্রামের চাষি আব্দুল লতিফের সাথে কথা হয়। তিনি জানান, শীতকালে সাধারণত আলু, টম্যাটো, শিম, কপির আবাদ করতেন তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহযোগিতায় গত বছরের অক্টোবরে স্কোয়াশ চাষ শুরু করেন তিনি।

এক বিঘা জমিতে বীজ লাগান নভেম্বরের শুরুতে।

বর্তমানে স্কোয়াশগুলো প্রায় বিক্রির উপযুক্ত হয়ে গেছে ২ মাস ৯ দিনেই।

তিনি আরও জানান, তার এক বিঘা জমিতে ১৩টি সারি রয়েছে।

প্রতিটি সারিতে আছে ৪২টি স্কোয়াশ গাছ থেকে গড়ে ১০টি করে স্কোয়াশ পাওয়ার আশা করছেন তিনি।

প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয় বলে জানান আবদুল লতিফ।

বর্তমানে প্রতি কেজি স্কোয়াশ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি।

আবদুল লতিফ আশা করেন প্রায় ১০০ মন স্কোয়াশ পাবেন তিনি।

নওগাঁর অর্থনীতিতে পরিবর্তন

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি নওগাঁর উপপরিচালক কৃষিবিদ শামছুল ওয়াদুদ।

তিনি বলেন, মূলত একটি শীতকালীন ও বিদেশি সবজি স্কোয়াশ।

ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে অল্প খরচেই এর প্রচুর চাষ হয়।

স্কোয়াশ চাষ বাড়ানো গেলে নওগাঁর কৃষি অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে বলে তিনি মনে করেন।

0 comments on “নওগাঁয় স্কোয়াশ এর চাষ হচ্ছে, আগ্রহী কৃষকেরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ