Monday, 18 May, 2026

কৃষকের ঘরে এলো ২৫টি গোখরা সাপ


বাড়িতে ২৫ গোখরা সাপ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুইদিন আগে কৃষক সৈয়দের স্ত্রী ঘরের মেঝেতে সাপের খোলশ দেখতে পান। পরে এলাকাবাসীর পরামর্শে বাজার থেকে কার্বনিক এসিড কিনে স্বয়নঘরে রাখেন। বুধবার দুপুরের পর থেকে সাপের একটি বাচ্চা বের হতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তারা। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় কোদাল ও সাবল দিয়ে মেঝে খুঁড়তে থাকলে একের পর এক ওই গোখরা সাপের বাচ্চাগুলো বের হতে থাকে।

নাটোরের গুরুদাসপুরে এক কৃষকের স্বয়ন ঘর থেকে পাওয়া গেলো ২৫টি গোখরা সাপ। বুধবার বিকালে উপজেলা পৌর সদরের আনন্দনগর মহল্লার মৃত সাদেক আলীর ছেলে কৃষক সৈয়দ আলীর স্বয়নঘর থেকে একটি মা সাপ ও ২৪টি বাচ্চা গোখরা সাপ পাওয়া যায়।

একপর্যায়ে মা সাপটিও বের হয়। তখন এলাকাবাসী মা সাপটি বিষধর হওয়ায় নিজেদের সুরক্ষার জন্য মেরে ফেলেন। মা সাপসহ মোট ২৫টি গোখরা সাপের বাচ্চা মাটি চাপা দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন
গোখাদ্যের চড়া দামে কোরবানির পশুর দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা
গাইবান্ধায় এবার চাহিদার চেয়ে প্রায় ৩০ হাজার কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। তবে পশুখাদ্যের চড়া দাম ও ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় উদ্বেগে খামারিরা।

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান জেলা গাইবান্ধায় কোরবানির পশুর প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। তবে পশুখাদ্যের চড়া দাম Read more

বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলোতে পরিকল্পিত মাছ চাষে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার: কৃষিমন্ত্রী
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয় কাজে লাগিয়ে মাছ উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির নতুন পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর লেক ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়গুলোকে পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষের আওতায় আনার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এই অব্যবহৃত জলাশয়গুলো কাজে লাগাতে পারলে Read more

কৃষক সৈয়দ আলী জানান, অনেকের পরামর্শে বাজার থেকে কার্বনিক এসিড নিয়ে এসে তিনি বাসায় নিজ শোবার ঘরে রেখে দেন।

স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান জানান, সাপ মারা অন্যায়। আতঙ্কিত না হয়ে পরিবেশকর্মীদের অথবা স্থানীয় বন বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা উচিত ছিল। তাহলে সাপগুলো উদ্ধার করে নির্দিষ্ট স্থানে ছেড়ে দেওয়া যেত।

0 comments on “কৃষকের ঘরে এলো ২৫টি গোখরা সাপ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ