Wednesday, 03 June, 2026

কৃষকের ঘরে এলো ২৫টি গোখরা সাপ


বাড়িতে ২৫ গোখরা সাপ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুইদিন আগে কৃষক সৈয়দের স্ত্রী ঘরের মেঝেতে সাপের খোলশ দেখতে পান। পরে এলাকাবাসীর পরামর্শে বাজার থেকে কার্বনিক এসিড কিনে স্বয়নঘরে রাখেন। বুধবার দুপুরের পর থেকে সাপের একটি বাচ্চা বের হতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তারা। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় কোদাল ও সাবল দিয়ে মেঝে খুঁড়তে থাকলে একের পর এক ওই গোখরা সাপের বাচ্চাগুলো বের হতে থাকে।

নাটোরের গুরুদাসপুরে এক কৃষকের স্বয়ন ঘর থেকে পাওয়া গেলো ২৫টি গোখরা সাপ। বুধবার বিকালে উপজেলা পৌর সদরের আনন্দনগর মহল্লার মৃত সাদেক আলীর ছেলে কৃষক সৈয়দ আলীর স্বয়নঘর থেকে একটি মা সাপ ও ২৪টি বাচ্চা গোখরা সাপ পাওয়া যায়।

একপর্যায়ে মা সাপটিও বের হয়। তখন এলাকাবাসী মা সাপটি বিষধর হওয়ায় নিজেদের সুরক্ষার জন্য মেরে ফেলেন। মা সাপসহ মোট ২৫টি গোখরা সাপের বাচ্চা মাটি চাপা দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন
স্মার্ট কার্ডধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ পাবেন: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সার্কুলার: কৃষক স্মার্ট কার্ডধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকরা ১০ টাকার অ্যাকাউন্ট খুলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ পাবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওরাঞ্চলের কৃষকদের বিশেষ সুবিধা।

দেশের প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের Read more

বদলে যাচ্ছে সমাজ: বাংলাদেশে কেন ও কীভাবে বাড়ছে পোষা প্রাণীর জনপ্রিয়তা?
বাংলাদেশে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে পোষা প্রাণী বা পেট কালচার। বিড়াল-কুকুরকে পরিবারে আপন করে নেওয়ার পাশাপাশি বাজারে বাড়ছে পেট ফুডের সহজলভ্যতা।

কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশের পরিবারগুলোতে পোষা প্রাণী (Pet) বলতে মূলত গ্রামীণ পরিবেশে হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল কিংবা পাহারা দেওয়ার জন্য Read more

কৃষক সৈয়দ আলী জানান, অনেকের পরামর্শে বাজার থেকে কার্বনিক এসিড নিয়ে এসে তিনি বাসায় নিজ শোবার ঘরে রেখে দেন।

স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান জানান, সাপ মারা অন্যায়। আতঙ্কিত না হয়ে পরিবেশকর্মীদের অথবা স্থানীয় বন বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা উচিত ছিল। তাহলে সাপগুলো উদ্ধার করে নির্দিষ্ট স্থানে ছেড়ে দেওয়া যেত।

0 comments on “কৃষকের ঘরে এলো ২৫টি গোখরা সাপ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ