Saturday, 04 April, 2026

মাগুর ও শিং মাছে ব্যবহার হচ্ছে কৃত্রিম রঙ


শিং ও মাগুরে কৃত্রিম রং

মাছের রং চকচকে এবং টাটকা দেখাতে কাপড়ের কৃত্রিম রং এবার মাগুরশিং মাছে। এ মাছ গুলো আসলে দেশি মাছ না মৎস্য অধিদপ্তর কতৃক নিষিদ্ধ বিদেশি মাগুর মাছ।

জমকাল ভাবে বিক্রি হচ্ছে কৃত্রিম রঙের ২০০ টাকা কেজি দরের বিদেশি মাগুর মাছ। দেশি মাছ ভেবে ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।

সুন্দর লোভনীয় একেবারে অবিকল দেশি শিং ও মাগুর মাছের মতো রং হওয়ার কারণে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন কেউ কেউ। দ্রুত ক্ষতিকর রং মেশানো মাছ যাতে বাজারে বিক্রি না হয় সেই ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

আরো পড়ুন
সংরক্ষিত ধানে পোকামাকড়ের ক্ষতি কমাতে বাকৃবির আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তি ‘গ্রেইন গার্ড’
আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তিতে ধানের পোকা দমনে নতুন প্রযুক্তি: বছরে শত শত কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা

প্রতি বছর সংরক্ষিত ধানে পোকামাকড়ের আক্রমণে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়েন দেশের কৃষকরা। এই ক্ষতি নিরসনে আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তিনির্ভর এক অভিনব উদ্ভাবন Read more

প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিশেহারা উত্তরবঙ্গের কৃষক: আলু ও ভুট্টার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

গত মাসের আকস্মিক ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতে উত্তরবঙ্গের রংপুর অঞ্চলে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে আলু ও ভুট্টা চাষীরা Read more

এদিকে মাছের গায়ের রং সুন্দর হওয়ার ফলে দামের বিষয়টি নজরে আনছেন না ক্রেতারা; কিন্তু একটু খেয়াল করলেই দেখা মিলবে মাছের গায়ে লাগানো অতিরিক্ত কৃত্রিম রঙের প্রলেপ।

এ রকম মাছের বিক্রি দেখা মিলছে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গাউছিয়া মাছের আড়তসহ বিভিন্ন বাজারে।

গাউছিয়া মাছের আড়ত, আব্দুল হক সুপার মার্কেটের মাছ বাজার, তাঁত বাজার, গাউছিয়া কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে রং মিশ্রিত মাছ বিক্রি হচ্ছে। সরেজমিন বাজারে গিয়ে পাওয়া যায় অভিযোগের সত্যতা। মাছের গায়ে আঁচড় কাটলে উঠে আসছে ক্ষতিকর রং। মাছ কচলে ধুয়ে নিলে সেই জল হয়ে যাচ্ছে হলদেটে।

কৃত্রিম কাপড়ের রং এ রয়েছে কান্সার সৃষ্টিকারি উপাদান যা স্বাস্থের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

0 comments on “মাগুর ও শিং মাছে ব্যবহার হচ্ছে কৃত্রিম রঙ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ