Thursday, 05 March, 2026

মাগুর ও শিং মাছে ব্যবহার হচ্ছে কৃত্রিম রঙ


শিং ও মাগুরে কৃত্রিম রং

মাছের রং চকচকে এবং টাটকা দেখাতে কাপড়ের কৃত্রিম রং এবার মাগুরশিং মাছে। এ মাছ গুলো আসলে দেশি মাছ না মৎস্য অধিদপ্তর কতৃক নিষিদ্ধ বিদেশি মাগুর মাছ।

জমকাল ভাবে বিক্রি হচ্ছে কৃত্রিম রঙের ২০০ টাকা কেজি দরের বিদেশি মাগুর মাছ। দেশি মাছ ভেবে ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।

সুন্দর লোভনীয় একেবারে অবিকল দেশি শিং ও মাগুর মাছের মতো রং হওয়ার কারণে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন কেউ কেউ। দ্রুত ক্ষতিকর রং মেশানো মাছ যাতে বাজারে বিক্রি না হয় সেই ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

আরো পড়ুন
খুলনায় লবণাক্ত জমিতে বার্লি চাষে অভাবনীয় সাফল্য
খুলনার লবণাক্ত জমিতে প্রথমবার চাষ হচ্ছে বার্লি

লবণাক্ততার কারণে যেখানে বছরের অধিকাংশ সময় জমি পড়ে থাকত অনাবাদী, কিংবা বর্ষায় কেবল আমন ধানের চাষ হতো, আজ সেই জমিও Read more

বন্ধের মুখে হরমুজ প্রণালী: মধ্যপ্রাচ্যে চরম খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রধান জীবনরেখা হিসেবে পরিচিত 'হরমুজ প্রণালী' বর্তমানে চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে জাহাজ Read more

এদিকে মাছের গায়ের রং সুন্দর হওয়ার ফলে দামের বিষয়টি নজরে আনছেন না ক্রেতারা; কিন্তু একটু খেয়াল করলেই দেখা মিলবে মাছের গায়ে লাগানো অতিরিক্ত কৃত্রিম রঙের প্রলেপ।

এ রকম মাছের বিক্রি দেখা মিলছে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গাউছিয়া মাছের আড়তসহ বিভিন্ন বাজারে।

গাউছিয়া মাছের আড়ত, আব্দুল হক সুপার মার্কেটের মাছ বাজার, তাঁত বাজার, গাউছিয়া কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে রং মিশ্রিত মাছ বিক্রি হচ্ছে। সরেজমিন বাজারে গিয়ে পাওয়া যায় অভিযোগের সত্যতা। মাছের গায়ে আঁচড় কাটলে উঠে আসছে ক্ষতিকর রং। মাছ কচলে ধুয়ে নিলে সেই জল হয়ে যাচ্ছে হলদেটে।

কৃত্রিম কাপড়ের রং এ রয়েছে কান্সার সৃষ্টিকারি উপাদান যা স্বাস্থের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

0 comments on “মাগুর ও শিং মাছে ব্যবহার হচ্ছে কৃত্রিম রঙ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ