Monday, 27 July, 2026

মাগুর ও শিং মাছে ব্যবহার হচ্ছে কৃত্রিম রঙ


শিং ও মাগুরে কৃত্রিম রং

মাছের রং চকচকে এবং টাটকা দেখাতে কাপড়ের কৃত্রিম রং এবার মাগুরশিং মাছে। এ মাছ গুলো আসলে দেশি মাছ না মৎস্য অধিদপ্তর কতৃক নিষিদ্ধ বিদেশি মাগুর মাছ।

জমকাল ভাবে বিক্রি হচ্ছে কৃত্রিম রঙের ২০০ টাকা কেজি দরের বিদেশি মাগুর মাছ। দেশি মাছ ভেবে ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।

সুন্দর লোভনীয় একেবারে অবিকল দেশি শিং ও মাগুর মাছের মতো রং হওয়ার কারণে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন কেউ কেউ। দ্রুত ক্ষতিকর রং মেশানো মাছ যাতে বাজারে বিক্রি না হয় সেই ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

আরো পড়ুন
কৃষকের স্বস্তি দুই সপ্তাহে দ্বিগুণ পেঁয়াজের দাম
দেশের পাইকারি বাজারে দ্বিগুণ বাড়লো পেঁয়াজের দাম। পচন ও সংরক্ষণাগারের অভাবে সরবরাহ কমায় স্বস্তিতে চাষি, তবে খুচরায় ৫০-৬০ টাকা কেজিতে বিপাকে ভোক্তা।

গত কয়েক মাস ধরে দেশের প্রধান প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলাগুলোতে অব্যাহত দরপতন ও ক্রমাগত লোকসানের বোঝা টানছিলেন কৃষকেরা। তবে গত Read more

চা শিল্পের উন্নয়নে সরকারের বড় ঘোষণা: ব্যাংক ঋণের বোঝা লাঘব, কম সুদে ঋণ ও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী চা শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খাতের দীর্ঘদিনের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস Read more

এদিকে মাছের গায়ের রং সুন্দর হওয়ার ফলে দামের বিষয়টি নজরে আনছেন না ক্রেতারা; কিন্তু একটু খেয়াল করলেই দেখা মিলবে মাছের গায়ে লাগানো অতিরিক্ত কৃত্রিম রঙের প্রলেপ।

এ রকম মাছের বিক্রি দেখা মিলছে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গাউছিয়া মাছের আড়তসহ বিভিন্ন বাজারে।

গাউছিয়া মাছের আড়ত, আব্দুল হক সুপার মার্কেটের মাছ বাজার, তাঁত বাজার, গাউছিয়া কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে রং মিশ্রিত মাছ বিক্রি হচ্ছে। সরেজমিন বাজারে গিয়ে পাওয়া যায় অভিযোগের সত্যতা। মাছের গায়ে আঁচড় কাটলে উঠে আসছে ক্ষতিকর রং। মাছ কচলে ধুয়ে নিলে সেই জল হয়ে যাচ্ছে হলদেটে।

কৃত্রিম কাপড়ের রং এ রয়েছে কান্সার সৃষ্টিকারি উপাদান যা স্বাস্থের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

0 comments on “মাগুর ও শিং মাছে ব্যবহার হচ্ছে কৃত্রিম রঙ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক লেখা

আর্কাইভ